Make money by Ojooo

Showing posts with label মায়ানমার. Show all posts
Showing posts with label মায়ানমার. Show all posts

Friday, September 29, 2017

ছবিই বলছে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন কতটা বর্বর ছিল

ছবিই বলছে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন কতটা বর্বর ছিল

গত ২৫ অগাস্ট থেকে নিরস্ত্র রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অব্যাহত হামলা চালায়। সেখান থেকে প্রাণ বাঁচাতে ৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকে পড়ে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের আগুন কেড়ে নিয়েছে রোহিঙ্গাদের মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকু।

তবু বারবার মিয়ানমার সেনাবাহিনী, সরকার কিংবা দেশটির নেত্রী অং সান সু চি মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে এসব অজুহাত ধোপে না টিকে বিশ্বমহলে জোগাড় করেছে কঠোর সমালোচনার আর নিন্দা।
ধ্বংস্বাত্মক রাখাইনের গ্রামগুলোতে দাঁড়িয়ে থাকা গাছপালাগুলো সে বার্তায় দিচ্ছে, কতখানি নির্মম ছিল রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন। বার্তা-সংস্থা রয়টার্স পুড়ে যাওয়া উত্তর রাখাইনের মংডুর একটি গ্রামে সেনাবাহিনী অগ্নি-তাণ্ডবের ধ্বংসাবশেষ তুলে ধরেছে ছবিতে।


save rohingya

নৃশংসতার আগুনে পুড়ে কঙ্কাল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা রাখাইনের গাছপালাও যেন তুলে ধরেছে মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর কঠোর ও অমানবিক তাণ্ডবের কথা। বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ভয়াবহ নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ, দলগত ধর্ষণ ও গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ করছেন।
তারা বলছেন, মিয়ানমারের সেনারা নারী, তরুণী ও কিশোরীকে তাদের পরিবারের সদস্যদের সামনে গণ-ধর্ষণ করছে। ঘরে বন্দি করে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করছে। সেনাবাহিনীর এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ও নৃশংসতাকে মানবতা-বিরোধী অপরাধের শামিল বলে মিয়ানমারকে দোষী সাব্যস্ত করেছে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক গণ-আদালত। 

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যাপকভিত্তিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা চায় অ্যামনেস্টি

নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক : মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যাপকভিত্তিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা চায় অ্যামনেস্টি

মিয়ানমারের মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত কঠোর দমনপীড়ন ও নির্যাতন বন্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সেইসঙ্গে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যাপকভিত্তিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা দেয়ার ব্যাপারেও পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি জাতিসংঘের প্রতি এমন সময় এ আহ্বান জানিয়েছে (বুধবার) যখন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের চলমান সংকট নিরসনে আজ জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। সেখানে সংস্থাটির মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসও বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে। 

https://youtu.be/08AQtVo0sag
amnesty



 অ্যামনেস্টির পরিচালক তিরানা হাসান বলেছেন, "মিয়ানমারের সামরিক জান্তারা রোহিঙ্গা মুসলমানদের জোরপূর্বক বের করে দিচ্ছে এবং তাদেরকে হত্যা করছে। এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ সুষ্পষ্টভাবে জাতিগত নিধনের শামিল।"

তিনি আরো বলেন, "আজ যখন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো বৈঠকে মিলিত হবে তখন তাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা ইতিহাসের কোন পক্ষকে বেছে নেবেন এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর যেসব দুর্ভোগ ও অসহনীয় কষ্ট নেমে এসেছে তা বন্ধে তারা কি পদক্ষেপ নেবেন।"

তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের কাছে সব ধরনের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধ করার লক্ষ্যে দেশটির ওপর এখনই একটি 'ব্যাপকভিত্তিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা' আরোপ করতে হবে। এছাড়া, মিয়ানমারে কাছে পরোক্ষভাবে যাতে কোনো অস্ত্রের সরবরাহ না ঘটে এবং দেশটির সেনাবাহিনী যেন কোনো ধরনের সামরিক প্রশিক্ষণ না পায় সেদিকেও নজর দিতে হবে জাতিসংঘকে।

Tuesday, September 19, 2017

বিশ্ব নেতাদের বুড়ো অাঙ্গুল দেখিয়ে সেনা প্রধানকে অং সাং সুচি'র সমর্থন

কসাই সেনাপ্রধানের রোহিঙ্গা গণহত্যায় সমর্থন কসাই সু চির

রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে অং সান সু চি সেনাবাহিনীর চলমান গণহত্যাকে সমর্থন করলেন। সাফাই গাইলেন কসাই সেনাপ্রধানের পক্ষে। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্ববাসী ও মানবাধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখালেন। এতে পুরো বিশ্ব হতবাক ও স্তম্ভিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে মায়ানমার সরকারের উপদেষ্টা অং সান সু চি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপে মায়ানমার কোনোমতেই ভীত নয়।

রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসীদের উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, রাখাইনে রোহিঙ্গারা পুলিশের উপর হামলা চালিয়েছে। মায়ানমার সেনাবাহিনী শান্তিরক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ফলে রাখাইনে শান্তি ফিরে না আসা পর্যন্ত সেখানে সেনা অভিযান চলবে।

একটি অপদার্থ বালকের গল্প : লেখক ফয়জুল হক --------------------(- _- )------------------ আম...