Make money by Ojooo

Friday, September 29, 2017

ছবিই বলছে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন কতটা বর্বর ছিল

ছবিই বলছে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন কতটা বর্বর ছিল

গত ২৫ অগাস্ট থেকে নিরস্ত্র রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অব্যাহত হামলা চালায়। সেখান থেকে প্রাণ বাঁচাতে ৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকে পড়ে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের আগুন কেড়ে নিয়েছে রোহিঙ্গাদের মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকু।

তবু বারবার মিয়ানমার সেনাবাহিনী, সরকার কিংবা দেশটির নেত্রী অং সান সু চি মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে এসব অজুহাত ধোপে না টিকে বিশ্বমহলে জোগাড় করেছে কঠোর সমালোচনার আর নিন্দা।
ধ্বংস্বাত্মক রাখাইনের গ্রামগুলোতে দাঁড়িয়ে থাকা গাছপালাগুলো সে বার্তায় দিচ্ছে, কতখানি নির্মম ছিল রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন। বার্তা-সংস্থা রয়টার্স পুড়ে যাওয়া উত্তর রাখাইনের মংডুর একটি গ্রামে সেনাবাহিনী অগ্নি-তাণ্ডবের ধ্বংসাবশেষ তুলে ধরেছে ছবিতে।


save rohingya

নৃশংসতার আগুনে পুড়ে কঙ্কাল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা রাখাইনের গাছপালাও যেন তুলে ধরেছে মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর কঠোর ও অমানবিক তাণ্ডবের কথা। বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ভয়াবহ নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ, দলগত ধর্ষণ ও গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ করছেন।
তারা বলছেন, মিয়ানমারের সেনারা নারী, তরুণী ও কিশোরীকে তাদের পরিবারের সদস্যদের সামনে গণ-ধর্ষণ করছে। ঘরে বন্দি করে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করছে। সেনাবাহিনীর এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ও নৃশংসতাকে মানবতা-বিরোধী অপরাধের শামিল বলে মিয়ানমারকে দোষী সাব্যস্ত করেছে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক গণ-আদালত। 

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যাপকভিত্তিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা চায় অ্যামনেস্টি

নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক : মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যাপকভিত্তিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা চায় অ্যামনেস্টি

মিয়ানমারের মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত কঠোর দমনপীড়ন ও নির্যাতন বন্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সেইসঙ্গে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যাপকভিত্তিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা দেয়ার ব্যাপারেও পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি জাতিসংঘের প্রতি এমন সময় এ আহ্বান জানিয়েছে (বুধবার) যখন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের চলমান সংকট নিরসনে আজ জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। সেখানে সংস্থাটির মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসও বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে। 

https://youtu.be/08AQtVo0sag
amnesty



 অ্যামনেস্টির পরিচালক তিরানা হাসান বলেছেন, "মিয়ানমারের সামরিক জান্তারা রোহিঙ্গা মুসলমানদের জোরপূর্বক বের করে দিচ্ছে এবং তাদেরকে হত্যা করছে। এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ সুষ্পষ্টভাবে জাতিগত নিধনের শামিল।"

তিনি আরো বলেন, "আজ যখন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো বৈঠকে মিলিত হবে তখন তাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা ইতিহাসের কোন পক্ষকে বেছে নেবেন এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর যেসব দুর্ভোগ ও অসহনীয় কষ্ট নেমে এসেছে তা বন্ধে তারা কি পদক্ষেপ নেবেন।"

তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের কাছে সব ধরনের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধ করার লক্ষ্যে দেশটির ওপর এখনই একটি 'ব্যাপকভিত্তিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা' আরোপ করতে হবে। এছাড়া, মিয়ানমারে কাছে পরোক্ষভাবে যাতে কোনো অস্ত্রের সরবরাহ না ঘটে এবং দেশটির সেনাবাহিনী যেন কোনো ধরনের সামরিক প্রশিক্ষণ না পায় সেদিকেও নজর দিতে হবে জাতিসংঘকে।

Thursday, September 28, 2017

NU ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর ভর্তির ১ম মেধা তালিকা প্রকাশ ২ অক্টোবর


সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :---

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

এন.ইউ’র ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর ভর্তির ১ম মেধা তালিকা প্রকাশ ২ অক্টোবর



জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমে বিষয়ভিত্তিক ১ম মেধা তালিকা ০২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখ প্রকাশ করা হবে। উক্ত ফল SMS এর মাধ্যমে বিকেল ০৪.০০ টা থেকে যে কোন মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে- (nu<space>athn<space>roll no. ) লিখে ১৬২২২ নম্বরে মেসেজ ঝবহফ করলে ফল জানা যাবে এবং রাত ০৯.০০ টায় ওয়েব সাইট (www.nu.edu.bd/admissions অথবা admissions.nu.edu.bd) থেকে ফল পাওয়া যাবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস ১৫ অক্টোবর ২০১৭ তারিখ থেকে শুরু হবে।

ডাউনলোড (Download)

(মোঃ ফয়জুল করিম)
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

Samsung Galaxy S8 in Bangladesh Full phone specifications । features । ...

শুভ জন্মদিন কোটি মানুষের স্বপ্ন ও ভালবাসার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা

আমাদের স্বপ্ন, আস্থা,আশ্রয়রে ঠিকানা,মাদার অফ হিউম্যানিটি খ্যাত বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত, ডিজিটাল বাংলার রুপকার,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আস্থার শেষ ঠিকানা, বিদ্যানন্দীনি, সারা বিশ্বের নিপীড়িত, নির্যাতিত মানবতার একমাত্র নেত্রী, সমুদ্রবিজয়ী,  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৭১তম শুভ জন্মদিন অাজ। 



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,  Prime Minister Sheikh Hasina


১৯৪৭ সালের ২৮সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি
নদী তীরের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন জাতির জনক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের বড় মেয়ে শেখ হাসিনা

বাংলার মানুষ জানে ---
যতদিন তুমি বেঁচে আছো, যতদিন তোমার হাতে দেশ, পথ হারাবেনা বাংলাদেশ। 


বেঁচে থাকো প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলার কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরর্ণের জন্য, নিপীড়িত কোটি অসহায় মানুষের জন্য, পিতা মুজিবের সোনা বাংলা ও তোমার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য, এই বাংলাদেশের জন্য, পিতা মুজিবের আদর্শের প্রকৃত অসহায় কর্মীদের জন্য, তুমিই শেষ ভরসা।  তুমি সোনার বাংলা।

সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, সফলতা কামনা করি,
করবো যতদিনচে বেঁ আছি।


                                                                    শুভ জন্মদিন 

                                                                    "হে বঙ্গকন্যা
                                                    বাংলার ১৬ কোটি মানুষ আজ ধন্য
                                                         একমাত্র শুধু তোমারই জন্য
                                                         অাজকের এই দিনটির জন্য "
  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেহে সফল অস্ত্রপ্রচার, দোয়া চাইলেন দেশবাসীর কাছে।

সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেহে ২৫শে সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় রাত ৮টায় সফল অস্ত্রপ্রচার হয়েছে। 

এর আগে প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ পেটে ব্যথা অনুভব করলে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন এবং গলব্লাডারে অস্ত্রপ্রচারের সিদ্ধান্ত নেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় উপস্থিত ছিলেন।
সফল অস্ত্রপ্রচার শেষে একদিন পর প্রধানমন্ত্রী তাঁর আবাসস্থলে (place of residence )  ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ন সুস্থ আছেন।
চিকিৎসকের পরার্মশ অনুযায়ী তিনি বিশ্রামে আছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশ বাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।  আগামী ৫ অক্টোবর তিনি দেশে ফিরবেন।

প্রেস রিলিজওয়াশিংটন, সেপ্টেম্বর ২৬স্বাক্ষর:ইহসানুল কারিমপ্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

Sunday, September 24, 2017

অায়াতুল কুরসী সর্ম্পকে অজানা সব তথ্য অাপনাকে চমকে দিবে সেই সাথে অাপনার ধারণাকেও পালটে দেবে।

আয়াতুল কুরসী সম্পর্কে এতদিন শুধু এটুকুই
জানতাম যে, এটা তিলাওয়াত করলে এত এত
নেকি হয়।ফেরেস্তারা প্রটেক্ট করে ইত্যাদি।
কিন্তু এটার মাঝে যে এত মিরাকল,এত বিস্ময়
লুকিয়ে আছে জানতাম না।ওস্তাদ নুমান আলি
খানের কাছেই জানলাম কতো বিস্ময়ই না
ধারন করছে আল কোরআনের সূরা বাকারা'র এই অংশটুকু। আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।অনেকেই হয়তো জানেন সেটা।যারা জানেন না, তাদের জন্য।
আয়াতুল কুরসী'তে মোট বাক্য আছে নয়টি
মিরাকলটা বুঝার আগে কিছু হিণ্টস
দরকার,এতে সেটা বুঝতে অনেক সহজ হবে।
মিরাকলটা হলো এই,- নয় বাক্যের প্রত্যেকটি
অন্যটির সাথে ভাবে,অলঙ্কারে,অর্থে হুবহু
মিলে যাবে।কিন্তু মিলবিন্যাসটা হবে উল্টোদিক থেকে। মানে, ১ নং বাক্যের সাথে একদম শেষ বাক্য। অর্থাৎ,
১ এর সাথে মিলবে ৯।
২ এর সাথে মিলবে ৮।
৩ এর সাথে মিলবে ৭।
৪ এর সাথে মিলবে ৬।
কিন্তু ৫ নং বাক্যে থাকবে একলা। এটির সাথে
কোন বাক্যের ম্যাচ হবেনা।আর, এটিও অন্যতম একটা বিস্ময়। এবার সরাসরি আয়াতুল কুরসীতে চলে যাওয়া যাক। আমরা উপরে উল্লিখিত সিকোয়েন্স
অনুযায়ী মিরাকলটা দেখবো।
(১-৯) (২-৮) (৩-৭)(৪-৬) এভাবে।
আয়াতুল কুরসীর প্রথম বাক্য হলো-
'আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি
চিরঞ্জীব(হাইয়্যুল) ,চিরস্থায়ী(কাইয়্যুম) ।'
খেয়াল করুন, উল্লিখিত বাক্যে আল্লাহর দুটি
গুণ/অবস্থা/নাম(সিফাত) এর উল্লেখ আছে।
একদম শেষ বাক্যে চলে যাই।শেষ বাক্য অর্থাৎ
৯ নং বাক্যটি হলো- ' তিনিই সর্বোচ্চ
(আলিয়্যুল) এবং সর্বাপেক্ষা মহান (আজীম)।'
দুই বাক্যেই আল্লাহর সিফাতের বর্ণনা,এবং
দুটিতে আল্লাহর দুটি করে সিফাতের উল্লেখ
আছে।
(১ এর সাথে ৯ এর এটাই হলো সিকোয়েন্স)
'
দুই নম্বর বাক্যে যাওয়ার আগে একটা বিষয়
জানা জরুরি।তা হলো- ঘুম আর তন্দ্রার মধ্যকার
পার্থক্য।ইংরেজি,বাংলা ইত্যাদি ভাষায় 'ঘুম'
আর 'তন্দ্রা' র জন্য আলাদা অর্থ নেই।এসব
ভাষায় ঘুম মানে যা বোঝায়, তন্দ্রা মানেও
তা বোঝা হয়। কিন্তু আরবিতে সেরকম না।
ঘুম মানে- যখন আমরা একদম মৃত্যুর মত হয়ে যায়। কিছুর খেয়ালে থাকিনা।কিছুই বুঝিনা,কিছুই শুনিনা। আর তন্দ্রা হলো- ঘুমের প্রাথমিক পর্যায়। যেটাকে আমরা অন্যভাবে 'ঝিমুনি' বলি। তন্দ্রা কিন্তু ঘুম নয়,ঘুমের প্রাইমারি ষ্টেপ। আরবিতে ঘুমকে বলে- নাঊম।আর তন্দ্রা/
ঝিমুনিকে বলে- 'সীনা'।
এইজন্যে ফজরের সালাতে মুয়াজ্জিন বলে-
'আচ্ছালতু খাইরুম মিনানাঊম'।ঘুম হতে সালাত
উত্তম। মুয়াজ্জিন কিন্তু বলেনা- 'আচ্ছালাতু খাইরুম মিনাসসীনা'। যাইহোক, আমরা বাক্যটি দেখি।বাক্যটির অর্থ হলো- 'তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়।' এটি হচ্ছে ২ নং বাক্য।এবার শেষ থেকে ৮ নং বাক্যটি দেখি।(কারন সিকোয়েন্স অনুযায়ী ২ এর সাথে ৮ এর মিলবিন্যাসের কথা বলেছি)। ৮ নং বাক্যটি হচ্ছে- 'আকাশ এবং জমিন নিয়ন্ত্রন করা আল্লাহর জন্য কঠিন নয় (তিনি তাতে ক্লান্ত হন না)।' খেয়াল করুন, ২ নং বাক্যে বলা হয়েছে- ঘুম আর তন্দ্রা আল্লাহকে স্পর্শ করেনা।
আমাদের কখন ঘুম বা তন্দ্রা/ঝিমুনি আসে?
যখন আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি।
৮ নং বাক্যেও আল্লাহ বলেছেন একইরকম কথা।
'আকাশ এবং জমিন নিয়ন্ত্রনে তিনি ক্লান্ত হন
না'- কারন (২ নং বাক্যেই তিনি বলে এসেছেন,
ঘুম এবং তন্দ্রা তাকে স্পর্শ করতে পারেনা।)
২ নং বাক্যের সাথে ৮ নং বাক্যের এই হলো
অসাধারন মিল।
'
৩ নং বাক্যে যাওয়ার আগে আপনাকে আরো
একটি বিষয়ে ক্লিয়ার হতে হবে।সেটি হচ্ছে-
'মালিক' দুই রকমের।একটি হচ্ছে ক্ষুদ্র
জিনিসের মালিক,একটি বড় জিনিসের মালিক।
একটির ব্যবহার ক্ষুদ্রার্থে, অন্যটি বৃহদার্থে।
যেমন, আপনার হাতে একটি কলম থাকলে
আপনি বলেন,- আমি এই কলমের মালিক।কিন্তু
আপনি বলেন না যে,- আমি এই কলমের রাজা।
কারন, কলম শব্দের মালিকানার সাথে 'রাজা'
শব্দ ম্যাচ হয়না।রাজা শব্দটি ম্যাচ হয় বিশাল
রাজত্ব বুঝাতে,যার ব্যাপ্তি বিশাল।
এবার ৩ নং বাক্যটি দেখুন।বাক্যটি হলো-
'আসমান ও যমীনে (ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র) যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর।' এবার ৭ নং বাক্যে কি আছে দেখুন। সেটি হলো- 'তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে।'
এখানে লক্ষ্যনীয় ব্যাপার, ৩ নং বাক্যের
বিষয় আর ৭ নং বাক্যের বিষয় একই।তা হলো-
আল্লাহর মালিকানা।৩ নং বাক্যে তিনি
আসমান আর জমিনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র
জিনিসের মালিকানা যে তার,সেটা ঘোষণা
করেছেন, আর ৭ নং বাক্যে এতদমধ্যে, ক্ষুদ্র-
বিশাল যা কিছু আছে,সব কিছুই যে তার,
সেটার ঘোষণা।
৩ আর ৭ এর মধ্যে এটাই হলো আশ্চর্য রকম মিল।
'
এবার ৪ নম্বর বাক্যে যাওয়া যাক।এখানে বলা
হচ্ছে-
'কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে
তাঁর অনুমতি ছাড়া?'
খেয়াল করুন, আল্লাহ প্রশ্ন ছুড়ছেন, কে আছ
এমন কিয়ামতের দিন সুপারিশ করার মতো
আল্লাহর কাছে?
এর ঠিক পরেই আল্লাহ একটা 'কিন্তু (but)
লাগিয়ে বলছেন- 'আল্লাহর অনুমতি ছাড়া'।
অর্থাৎ, কেউই সেদিন আল্লাহর কাছে সুপারিশ
করতে পারবেনা।শুধু সেই-ই পারবে, যাকে
তিনি পারমিশান দিবেন।
এবার শেষ থেকে ৬ নং বাক্যে যাই।সেখানে
আল্লাহ বলছেন-
'তাঁর জ্ঞান সম্পর্কে তারা কোন কিছুই
জানেনা কিন্তু ততটুকু (তারা জানতে পারে)
যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন।'
দেখুন, ৪ নম্বর বাক্যে বলা হলো- সেদিন কেউ
সুপারিশ করতে পারবেনা,শুধু সে ব্যতীত যাকে
তিনি পারমিশান দিবেন।
প্রথমে বলেছেন কারো ক্ষমতা নেই
সুপারিশের যতক্ষন না তিনি অনুমতি দিচ্ছেন।
৬ নম্বর বাক্যে বলছেন, - তার জ্ঞান সম্পর্কে
কেউই জানেনা, যতক্ষন না তিনি ইচ্ছামাফিক
কাউকে জানাচ্ছেন।দুটি বাক্যেই দুটি করে
Clause ব্যবহৃত হয়েছে।
এটিই হলো ৪ আর ৬ মধ্যে চমৎকার মিলবিন্যাস।
আর বাকি রইলো- ৫।
১ এর সাথে ৯ গেলো।
২ এর সাথে ৮।
৩ এর সাথে ৭।
৪ এর সাথে ৬।
৫ রয়ে গেলো একা। মোষ্ট সারপ্রাইজিং
ম্যাটার ইজ, এই ৫ নং বাক্যে এমন কিছু বলা
হয়েছে,যার সম্পর্কে ১-৪ বা ৬-৯ কোথাও কিছু
বলা হয়নি।
পুরো ৯ বাক্যের মধ্যের বাক্য হচ্ছে এই ৫ নম্বর
বাক্যটি।আর, ১-৪ এবং ৬-৯ বাক্যগুলোর মধ্যে
অসাধারন এক সামঞ্জস্য নিয়ে বলা হয়েছে এই
বাক্যে।
বাক্যটি হলো- 'দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে
যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন।'
খেয়াল করুন, বাক্যটি এমন এক জায়গায় (৫
নম্বরে), যার আগের বাক্য আর পরের বাক্যে
আল্লাহ তার রাজত্ব,ক্ষমতা,গুণ,সিফাত,সৃষ্টির
কথা বলেছেন।
তিনি বাক্যটি একদম মাঝখানে দিলেন, আর
বলছেন 'এর সামনে পেছনে যা আছে তার সবই
আমি জানি।'
এরকম করে কোন সাহিত্যিক, কোন কবি কি
বলতে পারবে?
শুরুর প্রথম বাক্যের সাথে শেষের শেষ
বাক্যের মিল।শুরুর দ্বিতীয় বাক্যের সাথে
শেষের দ্বিতীয় বাক্যের মিল।শুরুর তৃতীয়
বাক্যের সাথে শেষের তৃতীয় বাক্য।শুরুর চতুর্থ
বাক্যের সাথে শেষের চতুর্থ বাক্য।
আর, তার মাঝখানে এমন একটি বাক্য যা
সমন্বয় করছে আগে পরের সবকিছু? সুবাহান
আল্লাহ ওয়া বিহামদিহি!
কোরআনের এমন ভাষা শৈলি,এমন বর্ণনা
ভঙ্গি,এমন চমৎকার উপস্থাপন।
এইজন্যেই আল্লাহ সুবাহান ওয়া'তালা বার বার
চ্যালেঞ্জ করেছেন- 'তোমরা (অবিশ্বাসীরা)
যদি পারো অন্তত এর মতো (কোরানের) একটি
আয়াত লিখে আনো।'
সেই কোরআনকে বাদ দিয়ে আমরা হিন্দি
গান,সিরিয়াল,পপ গান,মুভি ধরেছি।
ভাষা,সাহিত্য,বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ কোরআনকে
স্থান দিয়েছি ড্রয়ারে।কাপড় পেছানো
অবস্থায়।কতোই না অবহেলিত ভাবে ফেলে
রেখেছি।
এইজন্যে মি. গ্লাডষ্টোন ব্রিটিশ
পার্লামেন্টে কোরআন হাতে নিয়ে
বলেছিলেন,- 'যতদিন এই কোরআন মুসলমানদের
হাতে থাকবে( তারা এটা বুঝবে,এটা নিয়ে
ভাববে,আমল করবে), ততদিন তাদের আমরা
আমাদের দাসে পরিণত করতে পারবোনা।'
আজ আমরা কোরআন নিয়ে ভাবিনা,চিন্তা
করিনা,বুঝতে চাইনা।তাই আমরা দিন দিন
পশ্চিমা দাসে পরিণত হচ্ছি।

Facebook থেকে।।
 

একটি অপদার্থ বালকের গল্প : লেখক ফয়জুল হক --------------------(- _- )------------------ আম...